জীবনে কখনো উপলদ্ধি মাত্রও করিনি।
যদিও জীবনে বিভিন্ন পর্যায়ে ভালোবাসা নামক বস্তুটি বহুবার উঁকি দিয়ে গেছে। কিন্তু তার আছঁ কখনো ছুঁতে পারিনি।
জীবনে প্রথম যে মেয়েটিকে নিজেরি অ-জানতে ভালোবেসেছিলাম, তার কাছে ভালোবাসা প্রকাশ করার পূর্বে সে জীবন থেকে হারিয়ে যায়।
আর জীবনে আসা পরবর্তী মেয়েটিকে উপলদ্ধি মাত্রও করিনি যে, কতটা ভালোবেসেছিলাম। সে উপলদ্ধি অর্জনের পূর্বে তাকেও জীবন থেকে হারিয়ে ফেলি।
এই দুইটা উপলদ্ধি অনেকটা ব্যতিত করেছিল নিজেকে। পরবর্তীতে শত চেষ্টার পরেও এদের কারো আঁছ কোথাও খুজে পাইনি।
তাই জীবনে একপর্যায়ে এসে দৃঢ় সংকল্প করি, জীবনে আর যাই করি না কেন, কখনো প্রেম করবো না।
নিজেকে কোন রকম সামলে, এর ভিত্তিতে জীবন ভালোই কাটাছিলাম। কিন্তু শেষ রক্ষাটুকু যেন হলোনা।
আবারও সেই পুনরাবৃত্তি!
জীবনে প্রথমবারের মতন কোনো মেয়েকে জীবনের সবচেয়ে বেশি ভালোটুকু বেসে ফেললাম।
তাই আগে মত যাতে তাকেও হারাতে না হয়, সেজন্য জীবনে প্রথম বারের মত কোন মেয়েকে নিজে মনের সেই সত্যটুকু বলার প্রয়াস করে বসলাম।
কিন্তু নিয়তি সর্বদাই আমার ইচ্ছার বিপরীত।
যার জন্য আবারো হৃদয়টা কাঁচের মত ভাঙ্গলো। হয়ত এতে কিছুটা দোষ আমারো ছিল।
জীবনে কখনোই ঈশ্বর বিশ্বাসী ছিলাম না। কিন্তু এই শেষ বাধাটুকু আসার পূর্বে যেন এক অদৃশ্য শক্তিদ্বারা ঈশ্বর আমাকে ইঙ্গিত দিয়েছিল, যে এটা কখনোই হওয়ার নয়। কিন্তু নিয়তি পরিহাস, ওইদিন আমি ঈশ্বরের সেই ইঙ্গিত টুকু বুঝতে পারিনি।
তবে মেয়েটি আমার জীবনে না আসলেও, আমার জীবনের এক আমল পরিবর্তন গঠিয়ে গেছে।
যা হয়ত আমার জীবনে অন্য কোন মাধ্যম দ্বারা সম্ভব হতো না।
যার জন্য আমি সারাটা জীবনের জন্য তার নিকট ঋণী হয়ে গেলাম।
এখন শুধু জীবনে তাকে নিয়ে একটাই স্বপ্ন, কখনো যদি সুযোগ আসে, তবে তার নিকট এই অসীম উপকারের কৃতঘতা প্রকাশ করব।
এখন আমার কাছে ভালোবাসা মানে শুধু নিজেকেই ভালোবাসা।